Hello,

একটি ফ্রি একাউন্ট খোলার মাধ্যমে বই প্রেমীদের দুনিয়ায় প্রবেস করুন..🌡️

Welcome Back,

অনুগ্রহ করে আপনার একাউন্টি লগইন করুন

Forgot Password,

আপনার পাসওয়ার্ড হারিয়েছেন? আপনার ইমেইল ঠিকানা লিখুন. আপনি একটি লিঙ্ক পাবেন এবং ইমেলের মাধ্যমে একটি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করবেন।

Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

বই প্রেমীদের দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

এমন হলে ব্যাপারটা কেমন হয়? বাংলা ভাষা-ভাষি সকল লেখক এবং পাঠকগণ একই যায়গায় থাকবে এবং একই প্লাটফর্মে তাদের বই সম্পর্কিত অনুভূতিগুলো শেয়ার করবে। যেখানে শুধুমাত্র বই সম্পর্কিত আলোচনা হবে। কখন কোন বই প্রকাশিত হয়েছে বা হবে তা মুহুর্তেই বই প্রেমিরা জানতে পারবে। প্রিয় পাঠক, নিশ্চয়ই আপনি বই পড়তে অনেক ভালোবাসেন। আপনার লেখা বইয়ে রিভিউ গুলো খুবই সুন্দর, তাই পড়তে অনেক ভালো লাগে। বাংলাদেশে এই প্রথম পাঠকদের জন্য "বাংলাদেশ পাঠক ফোরাম" তৈরি করেছে boiinfo.com নামে চমৎকার একটি কমিউনিটি ওয়েবসাইট। এখানে আপনি আপনার বই সম্পর্কিত অনুভূতিগুলো ছড়িয়ে দিতে পারেন লাখো পাঠকের কাছে। এই ওয়েবসাইটের কি কি সুবিধা রয়েছে? এখানে খুব সহজেই অর্থাৎ শুধুমাত্র একটি ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ফ্রিতে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে আপনি হয়ে যেতে পারেন বইইনফো.কম এর একজন সম্মানিত লেখক। ১. থাকছে ফেসবুকের মত চমৎকার একটি প্রোফাইল। ২. একজন পাঠক অপরজনকে মেসেজ করার সুবিধা ৩. প্রিয়ো ক্যাটাগরি, লেখক, পাঠক, অথবা ট্যাগ ফলো দিয়ে রাখলেই ঐ সম্পর্কিত বইয়ের নটিফিকেসন। ৪. বই রিলেটেড বেশি বেশি আর্টিকেল লিখে এবং বই সম্পর্কিত প্রশ্ন করে জিতে নেয়া যাবে পয়েন্টস, স্পেশাল ব্যাজ এবং আকর্ষণীয় বই উপহার। ৫. যারা নিয়মিত পাঠক তাদের জন্য থাকছে ভেরিফাইড প্রোফাইল সহ আরো অনেক কিছু! বইইনফো.কম এর উদ্দেশ্য হলো বাংলা ভাষাভাষী সকল লেখক ও পাঠকদের কে একত্রিত করা। 💕লাইফ টাইম মেম্বার সিপ 💕কোন ধরনের সাবস্ক্রিপশন ফি নেই ♂️রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করুন মোট দুটি ধাপে। ১. সংক্ষিপ্ত তথ্য ও ইমেইল আইডি দিয়ে সাইন আপ করুন। ২. ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। তাই দেরি না করে এখনি চলে আসুন বইয়ের দুনিয়ায়, আমরা তৈরি করতে চাই বই পাঠকের এক নতুন দুনিয়া! ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করতে এখনই ক্লিক করুন। ♂️ boiinfo.com

পর্দা করতে চাইলে বিয়ের দিনও সম্ভব?

পর্দা করতে চাইলে বিয়ের দিনও সম্ভব?
4.9/5 - (9 votes)
বিয়ের দিন শাড়ি গহনা খুলে বোরকা পড়তে চাওয়ায় আমার আম্মা খুবই বিরক্ত হলেন, একটানা কিছু রাগারাগিও করলেন। মানুষ কি বলবে, এতগুলো গয়না-শাড়ি কেন দিয়েছে?
.
আমি নাছোড়বান্দা, একটাই সিদ্ধান্ত আমার। বরপক্ষ থেকে শুধু মেয়েরাই আমার রুমে আসবে তারা দেখার পর আমি বোরকা পড়ে ফেলবো। আম্মু এগুলো শুনে রুম থেকে বের হয়ে গেল।
.
এরপর আমি বৌ সেজে বসে রইলাম, রুমে কয়েকজন পুরুষ মানুষ আমার চাচাতো ফুফাতো ভাইয়েরা ছবি তোলার জন্য ঢুকতে গিয়েও ব্যর্থ হলো। আজকের দিনেও সাক্ষাৎ না পাওয়া, বা ছবি তুলতে না পারায় তারা রাগে যেন গিজগিজ করছে।
.
শ্বশুড়বাড়ি থেকে লোক আসার পরপরই মেয়েরা হুড়মুড় করে বৌ দেখতে আসলো। সাথে পুরুষরা আসতে চাইলো আমি দরজা লাগিয়ে দিলাম। বিয়ের দিন, আমার উচিত লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে বসে থাকা। কিন্তু আমি বিচলিত কোনো পরপুরুষ আসছে কিনা সেটা নিয়ে। কেউই তা ভালো চোখে নিচ্ছে না, পর্দা নষ্ট হলে কারো কোনো যায়ও আসবেনা।
.
বিয়ের আগে আমি আমার ননদকে মোবাইলে যখন বললাম, “আপনি আমার বোনের মতো, আমায় পর্দা করতে সাহায্য করুন। কোনো গায়ের মাহরাম যেন আমার রুমে না আসে।”
.
তিনি আমাকে আশ্বস্ত করলেন, আমার আপন ভাসুর ৩ জন + চাচাতো ভাসুর ১৫-২০ জন, চাচাতো শ্বশুড়, এলাকার কাছের আত্মীয় ছাড়া কেউই আমাকে দেখবেনা।
.
আমি অবাক হতে গিয়েও মনকে বোঝালাম, নিজের হেফাজত আজ নিজের ওসিলায়ই করতে হবে। এরপর আমার অর্ধাঙ্গের সাথে কথা বলে নিলাম, কবুল বলার পর আমি আপনার স্ত্রীই হয়ে যাবো। এরপর আমাকে যত মানুষই দেখুক, দাইয়্যূস হবেন আপনিই৷ এমনিতেই একটু হুজুর মানুষ, তারপর দাইয়্যূসের ভয় দেখানোটা কাজে লাগলো। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়েও সাপোর্ট দিলেন, এখনো দিয়ে যাচ্ছেন আলহামদুলিল্লাহ্।
.
সব মেয়েদের দেখা শেষ হলে দ্রুত বোরকা হিজাব নিকাব করে নিলাম। হুজুর বিয়ে পড়াতে আসলো, সাথে এসেছেন কমপক্ষে ৫০ জন পুরুষ। আশাহত হয়ে ফিরে যাচ্ছিলো, কেউ কেউ বলে যাচ্ছিলেন,”আরে সব ঢেকে রাখছে কিছু দেখার নাই”। আমার মনে একটা শান্তি অনুভূত হলো।
.
এরপর আবার সেই এক যুদ্ধ বৌভাতের দিন। ফুপু শ্বাশুড়ি জোর করে মেয়েদের মাঝে ওনার মেয়ের জামাইকে নিয়ে এসেছেন নতুন বৌ দেখাবে বলে। আমার অর্ধাঙ্গ কথা দিয়েছিলেন কোনো পুরুষ আসবেনা, তাই আমি বোরকাটাও পড়িনি।
.
রুমে গায়ের মাহরাম ঢুকেছে আমি কোনোভাবে বুঝতে পেরে সাথে সাথে শাড়ির আঁচল জড়িয়ে হিজাব পেঁচিয়ে ফ্লোরে বসে পড়ি। নতুন বৌয়ের কান্ড দেখে সবাই হয়ত অবাক হয়েছে। কিন্তু এরপর আর কারো সাহস হয়নি রুমে পুরুষ মানুষ ঢোকানোর।
.
এটা হলো আমার বিয়ের দিনে, একটা দ্বীনহীন পরিবেশে পর্দা ধরে রাখার একটা বিশাল বড় স্ট্রাগল। বিয়ের দিন কোনো পরপুরুষ আমাকে দেখেননি, কেউ আমাকে চক্ষু দিয়ে পরোখ করতে পারেননি। অনেক বোনেরা আছে, সারাবছর পর্দা করার পর এই দিনটাতে বিরতি নেয়। আর নিজের সবচেয়ে বড় সর্বনাশ করে ফেলে। আর ভাইয়েরা তো ইচ্ছে করে অথবা জোর করে দাইয়্যূস বানায় নিজেকে৷
.
এরপর শুরু আরেকরকম পথ চলা। প্রথম যেদিন ভাসুরের সামনে নিকাব করে গেলাম তখন তিনি মুখের উপর আমায় বললো এখানে কোনো বোরকা নিকাব চলবে না। আমি ঠাঁই দাঁড়িয়ে রইলাম কোনো কথা না বলে।
.
যৌথ পরিবারে বিয়ে হয়েছে, তিন ভাসুরের সাথে আমার পর্দা নিয়ে শুরু হলো লড়াই। ননদের ছেলেটাও আমাদের সাথেই থাকে।
.
বিয়ের পর সুন্নাতি জামা পড়ে বড় ওড়না দিয়ে শুরু করলাম শ্বশুড়বাড়ির পর্দা। নিকাব করে রান্নাঘরের যাবতীয় কাজ করতে হতো প্রচন্ড গরমের মধ্যে ও। বোরকা পড়ে বিয়ে করেছিলাম বলে কোনো গায়ের মাহরাম আমাকে দেখতে পারেনা।
.
এটা ছিলো আমার চাচাতো ভাসুরদের অন্যতম আক্ষেপ। তারা শুরু করলো লুকিয়ে আমাকে পর্যবেক্ষণ করা। আমি ঘুমিয়ে থাকলে হুটহাট জানালা খোলার চেষ্টা করতো।
.
একদিন রান্নার কাজে ব্যস্ত থাকার সময় আমার ননদ প্রচন্ড আক্ষেপের সাথে বলতে শুরু করলেন আমরা এত পর্দানশীল মেয়ে চাইনি। আমার মা চায় এমন একটা লক্ষ্মী বৌ আসবে যে সবার সাথে পুতুলের মতো হেসে খেলে গল্প করবে। আমি চুপ রইলাম। একদিন আমার বড় জা আমাকে ডেকে বললেন, “তোমার এ পর্দা তোমার ভাসুরের পছন্দ নয়!”
.
তখন ভেতরে কেমন যেন অসহায় লাগলো। বললাম ভাইকে খবর দেন,”তাঁর এরকম অপছন্দে আল্লাহ তাআ’লা অসন্তুষ্ট হয়েছেন।
.
আমি তো ভাইকে সন্তুষ্ট করতে এ বাড়িতে আসিনি, তাকে বলবেন আমি তাঁর ছোট ভাইয়ের আহলিয়া এবং তার জন্যে হারাম।”
.
এভাবে আমি যেন এ যুদ্ধে হেরে না যাই, আমার স্বামী দ্রুত তাঁর চাকরির অজুহাত দেখিয়ে আলাদা বাসার ব্যবস্থা করলেন। এতকিছুর ভেতর তিনি আমাকে মানসিকভাবে সাপোর্ট দেবার চেষ্টা করে গেছেন। তিনি নিজেও একা দ্বীনদার হওয়াতে, তাঁর সুন্নাতি দাড়ি লেবাস ধরে রাখতে এমন পরিবেশে ভীষন কষ্টের মধ্যে পড়তে হয়েছে।
.
এরপর আলাদা বাসায় গায়রে মাহরাম মেহমান আসলে আমি সম্পূর্ণ আয়োজন সেরে পর্দার আড়ালে চলে যেতাম এবং আমার স্বামী তাদের খেদমত করতে থাকেন। ননদ আমার বাসায় মেহমান হয়ে আসলেন, এখন তাঁর ছেলের সামনে আমার পর্দা করা নিয়ে সমস্যা দেখা গেল।
.
কিন্তু আমার কেন জানিনা কারো কথাই গায়ে লাগতো না! উল্টো তালিম করে তাকে দ্বীনি বুঝ ভেতরে ঢেলে বাড়ি পাঠিয়েছিলাম।
.
এরপর আমি ঠিক করলাম যখনই শ্বশুড়বাড়িতে থাকবো, যতক্ষণ। ঠিক ততক্ষণ আমি জিলবাব পড়ে থাকবো। ঠিক সেটাই করলাম। আমার স্বামী এই প্রথম বললো এরকম কেন! এটা খুলে ফেলো৷ আমি তাকে বললাম, আমি চাইনা আমার অর্ধাঙ্গ দাইয়্যুসের খাতায় চুল পরিমাণ নাম লেখাক। তিনি চুপ করে গেলেন।
.
এরপর থেকে শ্বশুড়বাড়িতে জিলবাব পড়ে ঘুমাতে শুরু করলাম, খেতে শুরু করলাম, কাজ করতে শুরু করলাম। আলহামদুলিল্লাহ্, কখনো মনে হয়নি কষ্টের এটা। বরং মনে হতে থাকলো, হে আল্লাহ তুমি আমায় সুযোগ দিলে। সত্যিই সুযোগ দিলে।জেনারেল থেকে পড়ে পর্দায় আসতে চেয়েছিলাম সে পথ তুমি সহজ করে দিলে সহ্যশক্তি বাড়িয়ে….
.
আল্লাহ তাআ’লা যাকে খুশি তাকে হেদায়েত দেন, যাকে খুশি তাকে পরীক্ষা নেন এবং সবাইকে দেন সবরের উত্তম প্রতিদান। আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল। আর এই হেদায়েত ধরে রাখা আরো কঠিন, চুল পরিমাণ এদিক ওদিক হলে সব শেষ।
.
একটা মেয়ে চাইলেই পর্দা করার সুযোগ কম পায়। কিন্তু ভাইয়েরা যদি সাহায্য না করে তবে তা হয়ে যায় অসম্ভব রকমের কঠিন।জীবন দিয়ে হলেও বোনেরা নিজেদের হেফাজত করুন,স্বামীর কথায় বেপর্দা হয়ে লাভ নেই। দু’জনকেই জাহান্নামী হতে হবে।
.
আমি এই লিখাটা লিখেছি অনুপ্রেরণা হিসেবে, কেউ রিয়া খুঁজতে চাইলে আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আল্লাহ তাআ’লাই তার বান্দার নিয়্যাত এবং অন্তর সম্পর্কে অবগত।
Wafilife Books

Wafilife Books

যোগাযোগ
Head Office:
House 310, Road 21
Mohakhali DOHS, Dhaka-1206 Phone:
017-9992-5050 096-7877-1365 [email protected]

Related Posts

Leave a comment

নতুন প্রকাশিত হওয়া আর্টিকেলগুলো

boiinfo.com Latest Articles

রূপকথন   –   বন্যা হোসেন

রূপকথন – বন্যা হোসেন

...

মা  –  আনিসুল হক

মা – আনিসুল হক

...

প্রিয় মায়াবতীর মায়া

প্রিয় মায়াবতীর মায়া

...

প্রিয় মায়াবতীর মায়া

প্রিয় মায়াবতীর মায়া

...

ফুল ফুটেছে বনে : আবদুল হক

ফুল ফুটেছে বনে : আবদুল হক

...

জমজম :যুবাইর আহমাদ তানঈম

জমজম :যুবাইর আহমাদ তানঈম

...

নারীবাদী বনাম নারীবাঁদি

...

কথুলহু    –   আসিফ রুডলফায

কথুলহু – আসিফ রুডলফায

...

তাফসীরে উসমানী

তাফসীরে উসমানী

...

And Then There Were None    –    Agatha Christie

And Then There Were None – Agatha Christie

...

বিষাদবাড়ি    –     Nahid Ahsan

বিষাদবাড়ি – Nahid Ahsan

...

ছায়ানগর

ছায়ানগর

...

মনে থাকবে    –     আরণ্যক বসু

মনে থাকবে – আরণ্যক বসু

...

And Then There Were None   –    Agatha Christie

And Then There Were None – Agatha Christie

...

পিনবল

পিনবল

...

লেজেন্ড    –    ম্যারি লু

লেজেন্ড – ম্যারি লু

...

প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন ⤵️